ইসলাম আল্লাহ পাকের মনোনীত দ্বীন। জীবনের এমন কোনো অঙ্গন নেই, যেখানে ইসলামের বিধান ও শিক্ষা নেই। সেই শিক্ষা ও বিধান যখন আমরা ভুলে যাই তখনই আমাদের উপর বিপর্যয় নেমে আসে। আখেরাতের ভয়াবহ শাস্তি তো আছেই, দুনিয়ার জীবনও বিপর্যস্ত হয়ে যায়। সম্প্রতি নারীনির্যাতন খুব বেড়ে গেছে, বিশেষত উঠতি বয়েসী মেয়েরা চরম নিরাপত্তাহীনতার শিকার। এটা এ সমাজের চরম ব্যর্থতা যে, নিজেদের মা-বোনকেও নিরাপত্তা দিতে পারছে না। এ অবস্থায় মা-বোনদেরকে গভীরভাবে ভাবতে হবে নিজেদের নিরাপত্তা সম্পর্কে। অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন প্রয়োজন অনেক বেশি সতর্কতা ও সচেতনতার। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক সত্য এই যে, বিপর্যয়ের সাথে পাল্লা দিয়েই যেন বেড়ে চলেছে আমাদের অবহেলা ও অসচেতনতা। পোশাক-পরিচ্ছদ মানব জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, পোশাক যেমন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঢেকে রাখা ও সৌন্দর্যের উপকরণ, তেমনি শরীয়তের দিক-নির্দেশনা মেনে তা ব্যবহার আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাধ্যম, পর্দা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধান। কুরআন মজীদের কয়েকটি সূরায় পর্দা-সংক্রান্ত বিধান দেওয়া হয়েছে। পর্দার বিষয়ে আল্লাহ তাআলা সকল শ্রেণীর ঈমানদার নারী-...
প্রশ্ন : পর্দা করার জন্য কি বোরকা পরা আবশ্যক? নাকি শরীরের যেসব অংশ আবৃত করা দরকার, সেগুলো যদি নারীরা কাপড় দিয়ে বা হিজাব পরে আবৃত রাখেন, তাহলে কি পর্দা করা হবে? উত্তর : পর্দা করার জন্য বোরকা পরা শর্ত নয়। পর্দা হচ্ছে সৌন্দর্য ঢেকে রাখার জন্য। তাই আপনি সৌন্দর্যের যে দিকগুলো আছে, সেগুলো যদি অন্য কোনো মাধ্যমে ঢেকে রাখতে পারেন, সেগুলোর যদি বহিঃপ্রকাশ না করে আবৃত করে রাখতে পারেন, তাহলে এটি আপনার জন্য জায়েজ রয়েছে। এর জন্য বোরকা পরতে হবে, এটি শর্ত নয়। তবে মুসলিম উম্মাহর সালফেস সালেহিন এবং মুসলিম নারীরা যেটা পছন্দ করেছেন সেটি হলো এমন পোশাক, যে পোশাকের মাধ্যমে দৃষ্টি আকর্ষিত না হয়। সে ক্ষেত্রে, বিশেষ করে কালো পোশাক, মানে কালো কাপড় পরলে দৃষ্টি আকর্ষণ তুলনামূলকভাবে কম হয়। এ জন্য তাঁরা হয়তো এভাবে কালো বোরকা পরেছেন, এটি সাব্যস্ত হয়েছে। সেটাও যদি কেউ পরেন, তা পরতে পারেন।